মনিরুজ্জামান,নরসিংদী: মাধবদীর খোর্দ্দনওপাড়ায় সন্দেহের বশবর্তী হয়ে প্রতিবেশীর বাড়িঘর ভাংচুর, মারধর, স্বর্ণের গহনা ও নগদ টাকা লুটপাটের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
শুক্রবার রাতে নরসিংদী সদর উপজেলাধীন মাধবদীর নুরালাপুর ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ড খোর্দ্দনওপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
এঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে মো. মোস্তফা মিয়া বাদী হয়ে ৬ জনের নাম উল্লেখ পূর্বক অজ্ঞাতনামা ৩/৪ জনকে আসামি করে মাধবদী থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।
আসামিরা হলো একই এলাকার হাসিমের ছেলে হাফিজুর, জবেদ আলীর ছেলে আনোয়ার হোসেন ও মেয়ে জাহানারা, মনির হোসেনের মেয়ে সুমনা, হাফিজুর রহমানের স্ত্রী রুমা ও আনোয়ার হোসেনের স্ত্রী মনোয়ারা সহ অজ্ঞাতনামা ৩/৪ জন।
ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয়রা জানান, তাদের প্রতিবেশী মনির হোসেনকে একটি রাজনৈতিক মামলায় গতকাল মাধবদী থানা পুলিশ গ্রেপ্তার করে নিয়ে যায়।
পরে মনির হোসেনের পরিবারের লোকজন মোস্তফার পরিবারের লোকজন তাকে ধরিয়ে দিয়েছে বলে সন্দেহ করে তাদেরকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এবং সন্ধ্যা আনুমানিক ৭ টার দিকে লোহার রড ও লাঠিসোটা নিয়ে মোস্তফার বসত বাড়িতে হামলা চালায়। এসময় বাড়িতে কোন পুরুষ না থাকায় মোস্তফার মা, মেয়ে ও স্ত্রী প্রতিবাদ করলে তারা তাদেরকে মারধর করে ঘরের ঘরের একটি রুমে আটকে রেখে মূল্যবান আসবাবপত্র ও আলমারি ভাংচুর করে ০৩ ভরি ওজনের স্বর্নালংকার ও যাকাতের জন্য আলমারির ড্রয়ারে রাখা নগদ দুই লক্ষ টাকা লুট করে নিয়ে যায়।
বর্তমানে মোস্তফার পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে রয়েছে। যে কোন সময় তাদের উপর আবারও হামলা হতে পারে।
তাই বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করতে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সহযোগিতা কামনা করেন মোস্তফা ও তার পরিবারের লোকজন।
এবিষয়ে জানতে পুলিশের হাতে গ্রেফতারকৃত মনিরের বাড়িতে গিয়ে কাউকে পাওয়া যায়নি।
এদিকে মাধবদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম বিষয়টির সত্যতানিশ্চিত করে বলেন, এব্যাপারে আমরা একটি অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে অপরাধীদের ব্যাপারে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।